নির্বাচন কমিশন যদি বিশেষ দলকে জয়ী করার ষড়যন্ত্র করে, তাহলে দেশের মানুষ এই কমিশনকে ক্ষমা করবে না—মন্তব্য করেছেন টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।
তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘কোন ষড়যন্ত্রে মত্ত এই নির্বাচন কমিশন! ব্যালট পেপারে ধানের শীষের প্রতীকটি এমন জায়গায় দেওয়া হয়েছে, যেখানে সিল দিয়ে ভাঁজ করলে ওই ব্যালটটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় আজ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার মাচিয়া এলাকায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
আহমেদ আযম খান বলেন, ‘আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত বিতর্কিত কাজ করেছে। ব্যালটে সবচেয়ে বড় রাজনীতিকে দল বিএনপির ধানের শীষের প্রতীকটি এমন একটি জায়গায় দেওয়া হয়েছে, যেখানে সিল দিয়ে ভাঁজ করলে ওই ভোটটি বা ব্যালটটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অথচ যে রাজনৈতিক দল অতীতে তেমন কোনো আসনই পায়নি, তাকে দেওয়া হয়েছে সবার ওপরে।’
তিনি বলেন, ‘কোন ষড়যন্ত্রে মত্ত এই নির্বাচন কমিশন! দেশের মানুষ ও সরকার যেখানে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করে, সেখানে নির্বাচন কমিশন যদি এভাবে একটি বিশেষ দলকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্রে মত্ত হয়, সারা দেশ ওই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, তারা কমিশনকে ক্ষমা করবে না।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘অতি দ্রুত এই নির্বাচন কমিশনের বোধোদয় হোক এবং ব্যালট পেপার সংশোধন করে যেভাবে দিলে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয় সেভাবে দেওয়া হোক।’
নিজের নির্বাচনী এলাকা প্রসঙ্গে আযম খান বলেন, ‘আমি নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী। তবে আমার নির্বাচনী এলাকায় যেভাবে অর্থের ছড়াছড়ি দেখছি, এতে আমি শঙ্কিত। ভোটাররাও বিভ্রান্ত হচ্ছেন। নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী ২৫ লাখ টাকার ওপরে খরচ করা যাবে না।
‘অথচ আমার নির্বাচনী এলাকার কোনো এক প্রার্থী এক দিনেই ২৫ লাখ টাকা খরচ করছে। এটি নির্বাচনী বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। কালোটাকার ছড়াছড়ি হলে নির্বাচন নষ্ট হবে এবং জনপ্রত্যাশা পূরণ হবে না। জনগণ তাদের প্রিয় প্রার্থীকে ভোট দিতে বিভ্রান্ত হয়ে যাবে।’
দোয়া মাহফিলে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শিকদার মুহাম্মদ সবুর রেজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোকন খানসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।