শেরপুরে চাচিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী আরিফুল ইসলাম (২০) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। আজ বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের চরসাপমারী কামারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আরিফকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত রোকেয়া বেগম (৩৬) ওই গ্রামের লাল মিয়ার স্ত্রী। অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম স্থানীয় আমিনুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে রোকেয়া বেগম বাড়ির উঠানে বসে শিশুকে দুধ পান করাচ্ছিলেন। এ সময় আরিফুল ইসলাম দা দিয়ে পেছন থেকে রোকেয়া বেগমের গলাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর আত্মগোপনে যাওয়ার চেষ্টা করেন আরিফুল। খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানার পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে আরিফুলকে আটক করে।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফুল তাঁর চাচি রোকেয়া বেগমকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, আরিফুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পারিবারিক কোনো বিরোধ অথবা তুচ্ছ কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে চাচিকে হত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন তাঁরা।
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।