শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের মামলায় মো. সোহাগ মিয়া (২৯) নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই পুলিশ সদস্য আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে শেরপুর সদর আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান মাহমুদ মিলন জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান। পুলিশ কনস্টেবল সোহাগ মিয়া বর্তমানে বান্দরবান জেলা পুলিশ লাইনসে কর্মরত রয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর শেরপুর সদর উপজেলার সূর্য্যদী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হাসেনের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল সোহাগ মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী বয়ড়া পরাণপুর গ্রামের মো. আজাদ মিয়ার মেয়ে মোছা. লাকী আক্তারের। দাম্পত্যজীবনে তাঁদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে।
লাকী আক্তারের অভিযোগ, বিয়ের সময় মোটা অঙ্কের যৌতুক দেওয়ার পরও স্বামী সোহাগ মিয়া তাঁকে আরও যৌতুকের জন্য নির্যাতন শুরু করেন। একপর্যায়ে চলতি বছরের ২৪ জুন পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে লাকী আক্তারকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। এ ঘটনার পর ২৯ জুন স্বামী সোহাগ মিয়ার বিরুদ্ধে শেরপুরের আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(গ) ধারায় মামলা করেন স্ত্রী লাকী আক্তার। ওই মামলায় সোহাগ মিয়া আজ আদালতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে জামিন শুনানি শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ ব্যাপারে আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান জানান, যৌতুক মামলায় পুলিশ কনস্টেবল সোহাগ মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।