শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির ২৯ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী সভাপতি এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মো. মিজানুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল রোববার বিকেলে নাকুগাঁও স্থলবন্দরে অনুষ্ঠিত সমিতির সাধারণ সভায় সদ্য সাবেক সভাপতি মো. মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেন।
পরে রাতে সমিতির পক্ষ থেকে ২৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়। কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি হয়েছেন মো. মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল ও মো. হাবিবুর রহমান লিটন। সহসভাপতি হয়েছেন মো. ইউনুস আলী দেওয়ান, মো. আমিনুল ইসলাম জিন্নাহ ও মো. তোতা মিয়া।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে মো. আনোয়ার হোসেন, মো. আনিছুর রহমান আনিস ও মো. হান্নান মিয়াকে। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মো. হুমায়ুন কবির এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মো. আব্দুল মজিদ।
এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন মো. রফিকুল ইসলাম, সহকোষাধ্যক্ষ মো. শহীন আলম, প্রচার সম্পাদক মো. জাকির আলম, পররাষ্ট্রবিষয়ক সম্পাদক মো. জাকিরুল ইসলাম লিটন, সহপররাষ্ট্রবিষয়ক সম্পাদক মো. আবু রায়হান, দপ্তর সম্পাদক মো. মোফাজ্জেল হোসেন এবং সহদপ্তর সম্পাদক মো. রফিকুল হাসান রিপন।
কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে মো. শহিদুল ইসলাম সাইদুল, মো. রুস্তম আলী, মো. রুকনুজ্জামান কবলে, মো. আক্তার হোসেন, মো. মোবাশ্বের চৌধুরী (টুটন), মো. শফিকুল ইসলাম, মো. মনিরুজ্জামান, মো. জিয়ারুল হক, মো. আব্দুর রাজ্জাক ও মো. মানিক মিয়াকে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর নবনির্বাচিত সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী বলেন, নাকুগাঁও স্থলবন্দর দীর্ঘদিন ধরে স্থবির অবস্থায় রয়েছে। সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বন্দরটি প্রত্যাশিতভাবে পরিচালিত হয়নি। এই বন্দরের সঙ্গে হাজারো মানুষের জীবিকা ও এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন জড়িত।
তিনি বলেন, পরিকল্পিত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বন্দরের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো গেলে স্থানীয় অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সীমান্তভিত্তিক বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে।
নবগঠিত কমিটির নেতারা জানান, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, নাকুগাঁও স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং বন্দরের সার্বিক উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করাই হবে তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।