পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তপথে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি ও টহল তৎপরতা।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরায় বর্তমানে তিনটি ব্যাটালিয়ন মোতায়েন রয়েছে। এগুলো হলো—সাতক্ষীরা সদরে ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন, শ্যামনগরের নীলডুমুরে ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এবং একটি রিভারাইন ব্যাটালিয়ন। জেলার নদী সীমান্ত রয়েছে ১৬৭ কিলোমিটার এবং স্থল সীমান্ত রয়েছে ৬৭ কিলোমিটার।
তলুইগাছা, কুশখালী, ভোমরা, লক্ষীদাঁড়ি, খানজিয়া, ঘোনা, গাজীপুর, পদ্মাশাঁখরা, কোমরপুর, বসন্তপুর, দেবহাটা, সুলতানপুর, কাকডাঙ্গা ও ভাদিয়ালীসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ৩৩ বিজিবির ১৫টি এবং নীলডুমুর ১৭ বিজিবির ১২টি বিওপি (বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট) রয়েছে।
পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সাতক্ষীরার প্রায় ২০৩ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে বিজিবির বাড়তি টহল ও নিরাপত্তা জোরদার করায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান গাজী ইসলাইল হোসেন বলেন, আগে ৫০০ গজ অন্তর বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করতেন। এখন সেই জায়গায় ৩০০ গজ অন্তর দায়িত্ব পালন করছেন একজন বিজিবি সদস্য।
সাতক্ষীরার বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশরাফুল হক বলেন, টহল তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে সীমান্তে। এ ছাড়া গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। এসব কাজ করার জন্য জনবলও বাড়ানো হয়েছে।