কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গলায় কংক্রিটের টুকরা বাধা অবস্থায় গোলাপি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বুধবার ঢাকার সাভারের দক্ষিণ রাজাশান ও আইচানোয়াদ্দা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হাসিনুর রহমান (৪৬), মো. আব্দুল মতিন (৪৫) ও রহমত আলী (৫৫)।
র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সদর কোম্পানি, র্যাব-১৩, রংপুর ও র্যাব-৪, সিপিসি-২, সাভার ক্যাম্পের একটি যৌথ আভিযানিক দল আজ দুপুরে ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন দক্ষিণ রাজাশান এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় প্রধান আসামি হাসিনুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভার থানাধীন আইচানোয়াদ্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল মতিন ও রহমত আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রংপুর র্যাব-১৩ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ৩০ জুলাই দুপুরে রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের পুরাতন যাদুরচর নামের এলাকার একটি ডোবার পানি থেকে গৃহবধূ গোলাপির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গোলাপি সদর ইউনিয়নের বাওয়াইর গ্রামের সৈয়দ আলীর স্ত্রী। স্বামীর মামাতো ভাইদের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে গোলাপিকে হত্যা করে মরদেহ ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর স্বামী এবং বাবার বাড়ির লোকজন। এ ঘটনায় গোলাপির ভাই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে রৌমারী থানায় মামলা করেন।