জামায়াতে ইসলামীর লংমার্চে এত গাড়িবহরের অর্থের উৎস কোথায়, কোন দেশ বা পক্ষ জামায়াতকে এ ধরনের আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে—এমন প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
রংপুরের পীরগঞ্জে আল জামিয়াতুল উলুম (জামতলা মাদ্রাসা) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খান আরও বলেন, ‘জ্বালানিসংকট সমাধানের কথা বলে জামায়াতের এই কর্মসূচি বাস্তবে সংকট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। জামায়াতের আমির জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন—জ্বালানিসংকট একটি জাতীয় সমস্যা।’
রাশেদ খান বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানিসংকট তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি একটি টার্মিনাল পুড়ে যাওয়ায় গ্যাস-সংকট তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকার দুটি টার্মিনালের প্রকল্প বাতিল করেছে এবং ৩৭টি সোলার প্রকল্পও বাতিল করা হয়েছে।
এসব প্রকল্প বাতিল না হলে একটি টার্মিনাল পুড়ে গেলেও লোডশেডিং কিংবা বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট এতটা হতো না। এই বাস্তবতা জামায়াতে ইসলামীকে বুঝতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীকে বাস্তবতাবিবর্জিত রাজনৈতিক দল আখ্যা দিয়ে রাশেদ খান বলেন, দলটি ইসলামকে পুঁজি করে রাজনীতি করছে। তাঁর অভিযোগ, তারা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে। কোনো ব্যক্তি কাউকে জান্নাত দিতে পারে না। জান্নাত দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ।
আগামী ডিসেম্বরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করে রাশেদ খান বলেন, ‘আমরা যতটা বুঝতে পারছি, আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে মাঠে নামতে চায়। জামায়াতের আমিরও ডিসেম্বর থেকে সরকার পতনের জন্য মাঠে নামতে চান। ৯৬-এর অপশক্তি আওয়ামী লীগ ও জামায়াত বিএনপি সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য চক্রান্ত করছে।