বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যা ও আহতের ঘটনায় হওয়া দুটি পৃথক মামলায় রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুস্করনী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর আদালতের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন সোহেল রানা। শুনানি শেষে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
সোহেল রানা সদ্যপুস্করনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান।
মামলার নথি অনুযায়ী, রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালি থানায় হওয়া মাহমুদুল হাসান মুন্না হত্যা মামলায় সোহেল রানা এজাহারভুক্ত ১০২ নম্বর ও চার্জশিটভুক্ত ৮৭ নম্বর আসামি। এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় আহত শহিদুল ইসলাম সাগরের করা মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত ১১০ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ রয়েছেন।
দুই মামলায় আত্মসমর্পণের পর জামিনের আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তা প্রত্যাখ্যান করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ ফয়সাল। পরে আদালত তাঁকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেন, হত্যা ও আহতের ঘটনায় হওয়া দুটি মামলায় আত্মসমর্পণের পর সোহেল রানার জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেছেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।