হোম > সারা দেশ > রংপুর

লংমার্চ রংপুরে পৌঁছানোর আগেই কানায় কানায় পূর্ণ জিলা স্কুল মাঠ

রংপুর প্রতিনিধি

রংপুর জিলা স্কুল মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ। ছবি: আজকের পত্রিকা

আট দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে রংপুর জিলা স্কুল মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। মাঠে জায়গা না পেয়ে আশপাশের সড়কেও অবস্থান নিয়েছেন নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা।

আজ শনিবার বিকেলে সমাবেশ শুরুর আগেই মাঠ ও আশপাশের এলাকায় মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। তবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্তে লংমার্চ রংপুরে পৌঁছায়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুরের পর থেকে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আসা নেতা-কর্মীরা মিছিল ও স্লোগান নিয়ে জিলা স্কুল মাঠে প্রবেশ করতে থাকেন। একপর্যায়ে মাঠে বসার জায়গা না থাকায় অনেকে আশপাশের সড়কে অবস্থান নেন। স্থানীয় নেতারা মঞ্চ থেকে বক্তব্য দিচ্ছেন। সমাবেশে প্রধান অতিথিসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন হাজারো মানুষ। মাঠেই মাগরিবের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকেরা জানিয়েছেন, সমাবেশের মূল কার্যক্রম বিকেল পাঁচটায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। এতে ১১ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেবেন। রংপুর বিভাগের আট জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।

সমাবেশের সাউন্ড সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা ডেকোরেটরের কর্মী অমূল্য চন্দ্র রায় বলেন, ‘মাঠে ৮০টি এবং মাঠের বাইরে বিভিন্ন সড়কে ১২০টি মাইক টাঙানো হয়েছে।’

সমাপনী সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির রংপুর মহানগরের সদস্যসচিব আব্দুল মালেক বলেন, সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। সমাপনী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। তারা গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর পথসভা শেষ করে রংপুরের পথে রওনা দিয়েছেন।

পঞ্চগড়ের বোদা থেকে সমাবেশে এসেছেন নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘দুপুরে এসে পৌঁছেছি। বিকেলে সমাবেশ হওয়ার কথা থাকলেও এর আগেই মাঠ ভর্তি হয়ে গেছে। আমরা সামনের দিকে বসেছি। ন্যায্য দাবি আদায়ে নেতাদের কথা শুনতে এসেছি।’

নীলফামারী থেকে আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ’ দেরি করে এলে সামনে জায়গা পাওয়া কঠিন হতে পারে। এ কারণে আগেই রংপুরে এসেছি। দুই ঘণ্টা ধরে মাঠে বসে আছি।