বৈশাখে খরা ও তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। এর ওপর একের পর এক দেশ জুড়ে ঘটে চলেছে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। ঢাকার বঙ্গবাজার ও নিউ সুপার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর এবার রংপুর নগরীর ‘মতি প্লাজা’ মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ সময় শতাধিক ক্রেতা আটকা পড়েন। এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ১০টি ইউনিটের কর্মীরা।
মতি প্লাজার কাপড় ব্যবসায়ী সামি উন নাহার সামি বলেন, ‘ঈদের আগে আমাদের বেচাকেনা ভালোই চলছিল। ঈদকে ঘিরে আজই সবচেয়ে বেশি গ্রাহক মার্কেটে এসেছে। হঠাৎ করে একটি ছেলে এসে বলল জেনারেটর থেকে আগুন লেগেছে। আমরা আগুন লাগার কথা শুনে তাৎক্ষণিক বাইরে থাকা কাপড়-চোপড় নিয়ে বাইরে ছুটে আসি। পরে ফায়ার সার্ভিসে ফোন দিলে তারা আগুন নেভানোর কাজে লেগে পড়ে। আগুন যে জায়গায় লেগেছে ফায়ার সার্ভিস সেই জায়গা শনাক্ত করতে পেরেছে বলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেছি।’
মতি প্লাজা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শাহীন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে জানান, পুরো মার্কেটে কয়েকটি গোডাউন ঘরসহ ৩২টি দোকান রয়েছে। আগুনে পুরো ও আংশিক মিলে আটটি দোকানের ক্ষতি হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি বলে জানান তিনি।
রংপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক আব্দুল হামিদ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে চলে আসে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট। পরে সাব স্টেশন থেকে আরও চারটি ইউনিট যোগ দেয়। মোট ১০টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
আব্দুল হামিদ আরও বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বেশ কিছু দোকানের কাপড়সহ অন্যান্য পণ্য পুড়ে গেছে। আমরা ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ ও আগুন লাগান কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি করব। সেই কমিটি আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে এ নিয়ে প্রতিবেদন জমা দেবে।’