হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

রাজশাহীতে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীকে ১০ বছরের দণ্ডাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীতে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী সোহাগ হোসেনকে ১০ বছরের দণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। আজ বুধবার রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোহা. হাসানুজ্জামান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সোহাগ হোসেন বাগমারা উপজেলার চানপাড়া গ্রামের মৃত জয়নালের ছেলে। এ মামলায় সোহাগের নানা ইয়াসিন, মামা ইমরান ও মা রূপালিকে খালাস দিয়েছে আদালত।

ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নাসরিন আখতার মিতা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের সময় সোহাগের বয়স ছিল ১৬ বছর। বর্তমানে তার বয়স ১৮ পার হয়েছে। শিশু আইনে তার বিচার হলেও বয়স বিবেচনায় তাকে শিশু সংশোধনাগারে না পাঠিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়।’

আদালত সূত্র জানায়, বাগমারার হামিরকুৎসা ইউনিয়নের দক্ষিণ মাঝগ্রাম মোল্লাপাড়ার আব্দুল হান্নানের মেয়ে সাবিনা খাতুনের আগের স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সোহাগের। সোহাগ ট্রলির হেলপারের কাজ করত। ২০২১ সালের শুরু দিকে পরিবারের অমতে সাবিনাকে বিয়ে করে তিনি। 

কিন্তু সোহাগের তুলনায় সাবিনার বয়স বেশি এবং আগেও বিয়ে হয়েছিল বলে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। বিয়ের পর সোহাগ দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করলে ৬০ হাজার টাকা দেয় সাবিনার মা। টাকা নেওয়ার পর সাবিনাকে তালাক দিতে চাপ প্রয়োগ করে তার মা রূপালি। একপর্যায়ে বিয়ের দেড় মাসের মাথায় ৩০ এপ্রিল রাতে নিজ ঘরেই শ্বাসরোধে সাবিনাকে হত্যা করে সোহাগ। এ ঘটনায় সোহাগসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের মা।

নাটোরে আদালত প্রাঙ্গণে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আটক ৩

রাকসু জিএস আম্মারের ‘মানসিক চিকিৎসা’র দাবিতে ছাত্রদলের মানববন্ধন

আচরণবিধি লঙ্ঘন: জামায়াতের নায়েবে আমিরকে শোকজ

তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে টানানো ব্যানার সরিয়ে আম্মারের ভিডিও পোস্ট

দেশকে পাল্টে দিতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১ লাখ পুলিশকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

রাবিতে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি লড়ছেন ৫৯ পরীক্ষার্থী

ভর্তি পরীক্ষায় বসে বাবাকে প্রশ্নপত্রের ছবি পাঠাতে গিয়ে ধরা

রাবিতে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

‎রাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় ডিপসিক এআইয়ে উত্তর খুঁজছিল এক পরীক্ষার্থী