হোম > সারা দেশ > রাজবাড়ী

বেশি লাভের লোভে অপরিপক্ব রসুন তুলছেন কৃষকেরা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

খেত থেকে অপরিপক্ব রসুন তুলছেন কৃষকেরা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণেশন এলাকায়। ছবি: আজকের পত্রিকা

বাড়তি লাভের লোভে পড়ে অপরিপক্ব রসুন তুলে বিক্রি করছেন রাজবাড়ীর কৃষকেরা। এতে উৎপাদন কম হওয়ার শঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ। তাঁরা কৃষকদের অপরিপক্ব রসুন তুলতে নিরুৎসাহিত করছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণেশন এলাকায় দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ রসুনখেত। রসুনের গাছের রং এখনো সবুজ। গাছ মারা যাওয়ার পরে রসুন পরিপক্ব হয়। পরিপক্ব হতে এখনো এক মাস বাকি থাকলেও মাঠ থেকে রসুন তোলার ধুম পড়েছে।

জানা গেছে, বাজারে প্রতি মণ রসুন চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পরে রসুন তুললে মণপ্রতি দাম কিছুটা কমে যেতে পারে, সেই ধারণা থেকে কৃষকেরা এখনোই অপরিপক্ব অবস্থায় তুলে ফেলছেন। এতে বাজারে দাম বেশি পেলেও তাঁরা আশানুরূপ ফলন পাচ্ছেন না।

আকবর নামের এক কৃষক বলেন, ‘এখন রসুন তোলা হচ্ছে বাজারে দাম বেশি বলে। আমরা বাজারে একটু বেশি দাম দেখলে তাড়াতাড়ি সেই ফসল তুলে বিক্রি করে দিই। দাম একটু বেশি পেলেও ফলন কম হচ্ছে। এক মাস পর রসুন তুললে ফলন বেশি হবে। এখন এক মণ পেলে, তখন দুই মণ হবে।’

রশিদ মোল্লা নামের আরেক কৃষক বলেন, ‘এ বছর বেশি দামে রসুন বীজ কিনতে হয়েছে। সার-কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেশি পড়েছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার আবাদের খরচ অনেক বেশি পড়েছে। বিঘাপ্রতি খরচ পড়েছে ৮০ থেকে ১ লাখ টাকা। আর প্রতি বিঘায় রসুন উৎপাদন হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ মণ। গত বছর বিঘাপ্রতি উৎপাদন হয়েছিল ৩০ থেকে ৩৫ মণ করে।’

খেত থেকে অপরিপক্ব রসুন তুলছেন কৃষকেরা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণেশন এলাকায়। ছবি: আজকের পত্রিকা

কৃষক রমজান আলী বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে বীজ, সার, শ্রমিক দিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে যে রসুন পাচ্ছি, তাতে লোকসানে পড়তে হবে। এবার ফলন কম রসুনের বর্তমান দাম কমে গেলে লোকসান হবে।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর রাজবাড়ীতে ৩ হাজার ৫৮০ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৮১৮ টন।

খেত থেকে অপরিপক্ব রসুন তুলছেন কৃষকেরা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার চর কর্ণেশন এলাকায়। ছবি: আজকের পত্রিকা

রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, কৃষকেরা বেশি লাভের আশায় অপরিপক্ব রসুন তুলে বিক্রি করে দিচ্ছেন। যেহেতু আগাম ফসলের দাম বেশি পাওয়া যায়, তাই তাঁরা এটি করছেন। অপরিপক্ব রসুন তুললে ওজনে কম হয়। যেহেতু আরও ২৫ থেকে ৩০ দিন পর রসুন তোলার মূল সময়, তাই কৃষকদের পরিপক্ব হলে রসুন তুলতে বলা হচ্ছে।

রাজবাড়ীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শিশু গুলিবিদ্ধ

ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

মাহিন্দ্রচাপায় প্রাণ গেল কৃষকের

ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

জমির আইল কাটা নিয়ে দুই ভাইয়ের মারামারি, প্রাণ গেল কৃষকের

রাজবাড়ীতে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা

রাজবাড়ীতে ভ্যানে ট্রাকের ধাক্কা, যুবক নিহত

সুদানে হামলা: নিহত শান্তিরক্ষী শামীমের বাড়িতে কান্নার রোল

পদ্মায় ড্রেজিং চলায় দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ

পদ্মায় ধরা পড়া কাতল মাছের দাম ১ লাখ ৮ হাজার টাকা