হোম > সারা দেশ > পাবনা

পাবনায় বিএনপি-জামায়াত উত্তেজনা, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

পাবনা ও সাঁথিয়া প্রতিনিধি

ঘটনাস্থলে গিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ। আজ মঙ্গলবার রাতে পাবনার সাঁথিয়া পৌর সদরে। ছবি: আজকের পত্রিকা

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় জুমার নামাজে নিজামীপুত্রের ইমামতি নিয়ে দ্বন্দ্বে পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মুখোমুখি অবস্থানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সর্বশেষ জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচির পর বিএনপির পাল্টা বিক্ষোভ মিছিল পণ্ড হয়েছে। এতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

আজ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সাঁথিয়ার পৌর এলাকার তিন রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সাঁথিয়ার পৌর এলাকার আফতাবনগর জামে মসজিদে স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) ও নিজামীপুত্র ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন জুমার নামাজে ইমামতি করতে চান। এ সময় বিএনপির অনুসারীরা তাতে আপত্তি জানালে তৎক্ষণাৎ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বিএনপিকে দায়ী করে সংবাদ সম্মেলন করেন নিজামীপুত্র ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। তিনি ঘটনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহকে দায়ী করেন।

জামায়াতের সেই সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে আজ দুপুরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এতে জামায়াত এমপি মোমেনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার ও পরিকল্পিত নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়।

বিএনপির এই সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে একই দিন বিকেলে পৌর শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন জামায়াতের কর্মী-সমর্থকেরা। পরে সন্ধ্যায় আবার পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে আরেকটি বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় বিএনপি।

সন্ধ্যায় নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়ে রাত পৌনে ৮টার দিকে পৌর বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করতে গেলে পাশেই তিন মাথা মোড়ে অবস্থান নেন জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। এ নিয়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। সবশেষ মিছিলটি পৌর সদরের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ না করে উপজেলা চত্বর থেকে সংক্ষিপ্ত করে জুলকারনাইন চত্বরে এসে পথসভায় শেষ হয়।

এদিকে এ নিয়ে সাঁথিয়া পৌর সদরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আতঙ্কে ওই এলাকার সব দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মল্লিক বলেন, ‘আমাদের সংবাদ সম্মেলনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করায় সন্ধ্যায় আমরাও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি দিই। কিন্তু জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা দেশি ও বিদেশি অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলার জন্য পাশেই অবস্থান নেয়।’

বিএনপি নেতা আরও বলেন, তাদের কাছে একাত্তরের সেই অস্ত্রও রয়েছে। সেগুলো দিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় এই এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে চায়। কিন্তু বিএনপি সেটি হতে দেবে না। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

বিষয়টি নিয়ে সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান বলেন, মিছিলকে কেন্দ্র করে তিন রাস্তার মোড়ের দুই পাশে দুই পক্ষ অবস্থান নেয়। তৎক্ষণাৎ পুলিশ মাঝখানে অবস্থান নিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করে। পরে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সংক্ষিপ্ত মিছিল শেষে ফিরে যান। আপাতত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উভয় পক্ষই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

টেন্ডারে অনিয়ম-দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা: যুবদল নেতা পিন্টু

হাসপাতালের টেন্ডার না পেয়ে যুবদল নেতার হুমকি, কর্মস্থলে যাচ্ছেন না স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

সাঁথিয়ায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার

পাবনায় জোড়া খুন, সন্দেহভাজন একজন গ্রেপ্তার

রোগী নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতেই দালালের ফাঁদ, ৪ জনকে কারাদণ্ড

পাবনায় জোড়া খুন: দুই দিন পর অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার নেই

পাবনায় বজ্রপাতে নিহত ৬ জনের একসঙ্গে জানাজা, একই গোরস্থানে দাফন

পাবনায় বজ্রপাতে হতাহত পরিবারগুলোকে আর্থিক অনুদান দিল প্রশাসন

কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান

মাছ শিকারে বিলে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের