হোম > সারা দেশ > নীলফামারী

সৈয়দপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ

নীলফামারী ও সৈয়দপুর প্রতিনিধি 

প্রতীকী ছবি

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এক স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের শ্বাষকান্দর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিয়েটি বন্ধ করা হয়।

সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ শ্বাষকান্দর গ্রামের আনাশা পাড়ার মো. সাদেকুল ইসলামের স্কুলপড়ুয়া মেয়ের বিবাহের আয়োজন করা হয়েছিল। বিবাহ ঘিরে বাড়িতে প্যান্ডেল ও মঞ্চ তৈরি করে দিনব্যাপী আত্মীয়স্বজনকে দাওয়াত অনুষ্ঠান চলছিল। আজ রাতে বরযাত্রী আসার কথা ছিল। এরই মধ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেন পুলিশসহ বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হন। পরে কনের বয়স প্রমাণে গরমিল পাওয়ায় বিবাহ বন্ধের নির্দেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় ওই ছাত্রীর পরিবারের কাছ থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা নেওয়া হয়।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা জানান, বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ যৌথভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। রাতে বিবাহের অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণ করা ছিল। দিনে আত্মীয়স্বজনকে দাওয়াত অনুষ্ঠান চলছিল।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেন জানান, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। ওই কিশোরীর স্কুলে দেওয়া নিবন্ধনে জন্মতারিখ ২০১২ সাল উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে এক সপ্তাহ আগে প্রাপ্ত জন্মনিবন্ধনে জন্মতারিখ ২০০৮ সাল রয়েছে। এ কারণে কিশোরীর বাবাকে সঠিক জন্মতারিখ নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।