নীলফামারী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তাঁকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সহকারীরা।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনটির জেলা সভাপতি মো. আনজারুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক মো. মমিনুর রহমান, সদর উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শাহানুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সুদেব চন্দ্র, সহসাধারণ সম্পাদক মো. জহুরুল ইসলাম ও সহসভাপতি রোকসানা আক্তার প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে মাইকিংয়ের জন্য বরাদ্দ থাকলেও সেই অর্থ ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ছাড়া নারী সহকর্মীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও অন্য মন্ত্রীদের নিয়ে উসকানিমূলক ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তাঁরা।
আবু হেনা মোস্তফা কামালকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমি জাতীয় নির্বাচনের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছি। সরকার গঠন হওয়ার পর আমি কোথাও কোনো কিছু লিখিনি। এ বিষয়ে আমাকে যে কারণ দর্শানো হয়েছিল, আমি তার জবাবও দিয়েছি।’
নীলফামারীর সিভিল সার্জন মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে তাঁকে আগেই কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। গত ১২ অক্টোবর তাঁকে ডিমলা উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। দুর্নীতি বা অনিয়মের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।