হোম > সারা দেশ > নীলফামারী

নদীর চর কেটে বালু বিক্রি, অভিযানে বাধা: ৫৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নীলফামারী ও কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে অবৈধভাবে চাড়ালকাটা নদীর চর কেটে বালু বিক্রি ঠেকাতে অভিযানে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা জামান তন্বী। ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে অবৈধভাবে চাড়ালকাটা নদীর চর কেটে বালু বিক্রি ঠেকাতে অভিযানে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা জামান তন্বী। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাহাগিলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার নামীয় আসামিরা হলেন বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর বাহাগিলী এলাকার জাহেদুল ইসলাম (৫৫), স্বপন ইসলাম (৩০), পারভেজ ইসলাম (৪০), আরব আলী (৪৫) ও সুমন ইসলাম (৩৫)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চাড়ালকাটা নদীর চর কেটে বালু বিক্রি করা হচ্ছিল। গত বুধবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা জামান তন্বী, বাহাগিলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম এবং পুলিশ সদস্যরা অভিযানে যান। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাছে বালু বিক্রির বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে তাঁরা গালাগাল, ভয়ভীতি ও মারমুখী আচরণ করে কৌশলে পালিয়ে যান। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট একটি বালু বহনকারী ট্রাক্টর আটক করেন।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তনিমা জামান তন্বী বলেন, ‘নদীর চর কেটে বালু বিক্রি করার কারণে নদীভাঙন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের মারাত্মক ক্ষতি হয়। অভিযানে গেলে আমাদের মারমুখী আচরণ, ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে এবং বাধা দেওয়া হয়েছে।’

কিশোরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল গফুর বলেন, বিষয়টি নিয়ে একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।