জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতির নোংরামি দেখা যাচ্ছে। তা ছাড়া এই কার্ড দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পরওয়ার এসব কথা বলেন। এর আগে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান মিয়া গোলাম পরওয়ার।
জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সরকারের দৃষ্টিতে জামায়াতকে ভোট দেওয়া লোকজন এ দেশের নাগরিক নন। শুধু বিএনপির ভোটাররাই সরকারের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। সে জন্য বিএনপির এমপিদের (সংসদ সদস্য) এলাকায় একের পর এক প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করা হলেও জামায়াতসহ ১১ দলের এমপিদের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য করছে সরকার। বিশেষ বরাদ্দের নামে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে লুটেপুটে খাওয়ার নেশায় মেতে উঠেছে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘এমপিদের যদি স্বাধীনভাবে ও গোপনে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু সংবিধানের ৭৩ অনুচ্ছেদ তাঁদের দলীয় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য বাধ্য করে রেখেছে। এ ধরনের নিয়ম পরিবর্তন করা প্রয়োজন। এ জন্যই সংবিধান সংস্কারের দাবি জানিয়েছি। কিন্তু সরকার তা বাস্তবায়ন করবে না। তারা নিজেদের দেওয়া গণভোটই মানছে না।’
এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম, নীলফামারী-১ আসনের এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার, নীলফামারী-৪ আসনের এমপি হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম, রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মমতাজ উদ্দিন, অন্যতম সদস্য আব্দুল হাকিম এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।