হোম > সারা দেশ > নীলফামারী

উন্নয়নের ভোগান্তিতে সৈয়দপুর

রেজা মাহমুদ, সৈয়দপুর (নীলফামারী)

শহরের গোলাহাট এলাকায় সড়কের অর্ধেক অংশ ঢালাই করে ফেলে রাখা হয়েছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার সড়ক সংস্কারকাজে তদারকির অভাব ও ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। শহরের দুটি প্রধান সড়কে একযোগে সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণকাজ চলায় পথচারী চলাচলের পথ কোথাও বন্ধ, আবার কোথাও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে সৈয়দপুর পৌরসভার প্রকৌশলী আইয়ুব আলী জানিয়েছেন, সংস্কারকাজ নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। ঠিকাদারকে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার তাগাদা দেওয়া হয়েছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দপুর শহরের তামান্না মোড় থেকে ওয়াপদা মোড় পর্যন্ত শেরেবাংলা সড়ক ও তুলশীরাম সড়ক (বিচালীহাটি মোড়) থেকে বসুনিয়া মোড় পর্যন্ত শহীদ জহুরুল হক সড়কের সংস্কারকাজের উদ্যোগ নেয় পৌর কর্তৃপক্ষ। সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ‘রিজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটরিয়াল প্রজেক্ট’ (আরইউডিপি)-এর আওতায় কাজটি শুরু হয়। যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রতিটি সড়কে প্রথমে ৬০০ মিটার আরসিসি ঢালাই এবং বাকি ২ হাজার ৯০০ মিটার অংশে কার্পেটিং করা হবে। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ফুটপাত ও সড়কবাতি নির্মাণ করা হবে। ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা। কাজের দায়িত্ব পায় ‘এমএ-কেই-এসবি-জেভি’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজটি বাস্তবে রূপ দিচ্ছে তাদের মনোনীত রংপুরের ‘মেসার্স শাম্মি বিল্ডার্স’।

২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর তারা কাজ শুরু করে। এক বছর হলেও এখন পর্যন্ত ৩০ শতাংশ কাজও শেষ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। শেরেবাংলা সড়কের ঢালাইয়ের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। জহুরুল হক সড়কে ঢালাই গত সপ্তাহে শুরু হয়েছে। কার্পেটিংয়ের কাজ কোনো সড়কেই শুরু করেনি।

শেরেবাংলা এলাকার ব্যবসায়ী মো. দুলাল জানান, প্রতিদিন শহীদ জহুরুল সড়ক দিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয় তাঁকে। সড়কের কোথাও সামান্য কিংবা অর্ধেক অংশে ঢালাইয়ের কাজ করে বাকি কাজ ফেলে রেখে ঠিকাদার লাপাত্তা। তদারকি না থাকায় এটি হচ্ছে। এতে যান চলাচলের পথ সরু হয়ে গেছে। ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মতিয়ার রহমান বলেন, তদারকি না থাকায় ঠিকাদার সড়কের কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করছেন। এ ছাড়া আরসিসি ঢালাইয়ের পর নিয়ম অনুযায়ী পানি দিয়ে ভেজানো (কিউরিং) হচ্ছে না। এ নিয়ে পৌর প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে মেসার্স শাম্মি বিল্ডার্সের স্বত্বাধিকারী শামীম সাইদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে সাড়া না পাওয়ায় বক্তব্য জানা যায়নি।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা আজকের পত্রিকাকে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিনে তদন্ত করে সড়ক নির্মাণকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ইজারার আড়ালে চাড়ালকাটা নদী কেটে বালুর বাণিজ্য, ঝুঁকিতে তিস্তা সেচ ক্যানেল

রাতে পূজা দেখতে বেরিয়েছিলেন যুবক, ভোরে রেললাইনে মিলল ছিন্নভিন্ন মরদেহ

যাত্রাবিরতির দাবিতে নীলফামারীতে ট্রেন আটকে অবরোধ, ৪ ঘণ্টা পর চলাচল স্বাভাবিক

সৈয়দপুরে ময়লার স্তূপ ঢাকা হলো বালু দিয়ে

প্রধানমন্ত্রীর রংপুর সফর ঘিরে প্রস্তুতি, বালুচাপা দেওয়া হলো ময়লার ভাগাড়

ভারত থেকে এল ১৮টি রেলকোচের প্রথম চালান

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, নীলফামারী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি

সৈয়দপুরে রেলের ৭০ একর জমি উদ্ধারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: রেলপথমন্ত্রী

সৈয়দপুর রেলকারখানায় কোচ সংস্কারের মান নিয়ে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী

নীলফামারীতে চিকিৎসকের ওপর হামলা: কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা