নীলফামারীর ডিমলায় জ্বালানি তেল পরিমাপে কম দেওয়ার অভিযোগে একটি ফিলিং স্টেশনের মালিককে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে বৈধ কাগজপত্র ও বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্র ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে একটি মুড়ির মিলকে আরও অর্থদণ্ড করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ডিমলা উপজেলা সদরের বাবুর হাট বাজার এলাকায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। বিএসটিআইয়ের বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে অভিযানটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রওশন কবির।
উপজেলা প্রশাসন ও বিএসটিআই সূত্রে জানা যায়, মেসার্স আফতাব ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে তেল পরিমাপে কম দেওয়ার অভিযোগ ছিল। সেখানে অভিযান চালিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রতি ১০ লিটার পেট্রলে পরিমাপে ১ লিটার ২০ মিলিলিটার এবং প্রতি ১০ লিটারে ১৪০ মিলিলিটার ডিজেল কম দেওয়া হচ্ছিল। পরে ফিলিং স্টেশনটির মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
এ ছাড়া, উপজেলার বামুনিয়া ডোমার রোড এলাকার আদিল অটো মুড়ির মিলে অভিযান চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, বিএসটিআইয়ের সনদ ছাড়াই ভুয়া তথ্য প্রচার করে আসছে তারা এবং তাদের প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ও পরিবেশক লাইসেন্সও নেই। পরে ওই মিলের মালিককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
ডিমলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রওশন কবির বলেন, আফতাব ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে পরিমাপে তেল কম দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। পরে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআই রংপুর কার্যালয়ের পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী মো. আহসান হাবিব, মো. নাসির উদ্দিন এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো. জুলকারনাইন।