নেত্রকোনার মদনে ধর্ষণ মামলার ৫ মাস পর প্রধান আসামি আজিজুলকে (৪৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকা থেকে রোববার ভোরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে মদন থানার পুলিশ। এ সময় মাদক মামলায় ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি খেলন মিয়া (৪০) ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ইসলাম উদ্দিনকেও (৩৫) একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ৩ আসামির বাড়ি মদন উপজেলায়। তাদের কে সোমবার দুপুরে নেত্রকোনা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ফতেপুর দেওয়ান পাড়া গ্রামের মৃত আছেন আলীর ছেলে আজিজুল প্রতিবেশী এক কিশোরীকে (১৩) একাধিকবার জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে ২০২১ সালের ২৩ এপ্রিল আজিজুল ও তাঁর স্ত্রী জরিনা আক্তারকে আসামি করে মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরদিন আসামি জরিনা আক্তারকে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হলেও আজিজুল পালিয়ে যায়। এদিকে ওই কিশোরী ২০২১ সালের ১৪ জুন একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেয়। রবিবার ভোরে মদন থানার এস আই মোশারফ হোসেন ফরাজী ফোর্স নিয়ে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামি আজিজুলকে গ্রেপ্তার করে। একই এলাকা থেকে সাজাপ্রাপ্ত উপজেলার শিবপাশা গ্রামের খেলন মিয়া ও ইসলাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে মদন থানায় নিয়ে আসা হয়।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আলম জানান, ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আজিজুলকে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর সঙ্গে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি খেলন ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ইসমাইল কে একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের সোমবার নেত্রকোনা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।