নেত্রকোনা সরকারি কলেজের বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী ও তার পরিবার জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচাদের হুমকির কারণে বাড়ি যেতে পারছেন না। দীর্ঘদিন পর কলেজ খোলা হলেও বইপত্র বাড়িতে থাকায় তিনি পড়াশোনাও করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।
ওই কলেজছাত্রীর বাড়ি জেলার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের রামনাথপুর গ্রামে। তার দাবি চাচাদের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে নেত্রকোনা পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করলেও পুলিশ এখনো বিষয়টি সুরাহা করতে পারেনি।
কলেজছাত্রী আজকের পত্রিকাকে জানান, তাঁর বাবার সম্পত্তি চাচা সিদ্দিকুর রহমান ও চাঁনফর আলী মিলে বিক্রি করে দেন সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য করিম মেম্বারসহ দুজনের কাছে। এ নিয়ে এ বছরের মার্চের ১৭ তারিখ দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ছাত্রীর বাবা শহর উদ্দীন আহত হয়ে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর থেকেই ওই ছাত্রী, তার অপর দুই বোন, ভাই এবং বাবা-মা বাড়িতে যেতে পারছেন না। সংঘর্ষের সপ্তাহখানেক পর কলেজছাত্রীর মা বাড়িতে গেলেও সিদ্দিকুর রহমান ও তার ছেলে আলমগীর এবং চাঁনফর আলীর হুমকিতে বাড়িতে উঠতে পারেননি। পরে নেত্রকোনা জেলার পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ওই কলেজছাত্রীর পরিবার। পরে পুলিশ সুপার বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে আলমগীরের মোবাইল ফোনে বারবার কল করা হলেও তাঁর নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ওই কলেজছাত্রীকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। সে যদি বাড়িতে যেতে না পারে তাহলে আমার পুলিশ তাকে এবং তার পরিবারকে বাড়িতে পৌঁছে দেবে।