নরসিংদীর পলাশে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় এক বৃদ্ধকে নির্জন স্থানে ফেলে দিয়ে গুমের চেষ্টার অভিযোগে এক মাইক্রোবাসের চালককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার বাগদি এলাকার পাঁচদোনা-ঘোড়াশাল সড়কের পাশে এই ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ আহত বৃদ্ধকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মাইক্রোবাস থেকে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় এক বৃদ্ধকে সড়কের পাশে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন চালক। বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে এলে তাঁরা চালককে হাতেনাতে আটক করেন। পরে ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পলাশ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালককে হেফাজতে নেয়। একই সঙ্গে গুরুতর আহত বৃদ্ধকে উদ্ধার করে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহত বৃদ্ধের পরিচয় জানা যায়নি।
আটক মাইক্রোবাসের চালক মনির হোসেন বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চিরাপাড়া গ্রামের মৃত জলিল হাওলাদারের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দাবি করেন, ঢাকার গাবতলী এলাকায় একটি পাম্পের সামনে কয়েকজন ব্যক্তি মুমূর্ষু বৃদ্ধকে তাঁর গাড়িতে তুলে দেন। তাঁদের অনুরোধে তিনি বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তির উদ্দেশ্যে রওনা হন। তবে পথে পুলিশি ঝামেলার ভয়ে নরসিংদীর বাগদি এলাকায় বৃদ্ধকে ফেলে রেখে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
নরসিংদী জেলার পিবিআই ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনা আমরা শুনেছি এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এখন ঘটনা কী এবং কী কারণে হয়েছে, আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব না। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।’