সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর সাতজনের মরদেহ দেশে আসার পর জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে একসঙ্গে সাতজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডে নিহত চিহ্নিত হওয়া ৯ জন প্রবাসীর মরদেহ পৌঁছায়। এর মধ্যে এই সাতজনের বাড়ি ছিল নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় রাত দেড়টার দিকে মরদেহগুলো আত্রাইয়ে নিয়ে আসা হয়।
জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান এবং আত্রাই থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম।
জানাজা শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে স্ব স্ব গ্রামের উদ্দেশে মরদেহগুলো নিয়ে যাওয়া হয় দাফনের জন্য।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, নিহতদের পরিবারগুলোকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও তাঁদের সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে। বাকি মরদেহগুলো দেশে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
সৌদি দূতাবাস থেকে পাঠানো তালিকায় পরিচয় শনাক্ত হওয়া নওগাঁর সাতজন হলেন আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে মো. ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামাণিক, একই গ্রামের গুফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন আলী ও সুমন আলী, বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের তমেজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার।