ময়মনসিংহের ভালুকায় আলোচিত দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গ্রেপ্তার আসামির নাম বাবলু মিয়া (২৪)। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সময় কারখানার গেটে লোক জড়ো করা এবং স্লোগান দিয়ে জনতাকে উত্তেজিত করার পেছনে মূল হোতা হিসেবে কাজ করেছিলেন বাবলু মিয়া।
আজ সোমবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনার পর থেকে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কাজ শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে ডিবির একটি দল ভালুকা থানাধীন ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির উত্তর গেট-সংলগ্ন একটি চায়ের দোকান থেকে বাবলুকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাবলু মিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যানুযায়ী, ঘটনার দিন বাবলু মিয়া প্রথম ফ্যাক্টরির গেটে লোক সমবেত করেন। পরে তিনি উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে উপস্থিত জনতাকে উত্তেজিত ও একত্র করেন। তাঁর নেতৃত্বেই উত্তেজিত জনতা দীপু চন্দ্র দাসকে গেটের সামনে বেধড়ক মারধর করে হত্যা করে। শুধু তা-ই নয়, মরদেহটি স্কয়ার মাস্টারবাড়ী মেইন রোডে নিয়ে যাওয়ার পর উত্তেজিত জনতাকে সঙ্গে নিয়ে লাশের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালাতেও বাবলু সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন।
আবদুল্লাহ আল মামুন আরও জানান, দীপু চন্দ্র দাস হত্যার ঘটনায় এ (সোমবার বিকেল) পর্যন্ত মোট ২৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি ইতিমধ্যে আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।