গফরগাঁওয়ে তারাবি নামাজের ইমাম নিয়োগ নিয়ে দুই পক্ষের মারামারিতে গুরুতর আহত আনসার সদস্য জলিল মিয়া বুধবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গত ১৮ মার্চ জুমার নামাজের পর মশাখালী ইউনিয়নের মধ্যপাড়ায় বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদে মারামারির ঘটনায় জলিল মিয়া গুরুতর আহত হন।
জলিল মিয়ার মৃত্যুতে তাঁর বড় ভাই আজিজুল হক বাদী হয়ে পাগলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১৮ মার্চ জুমার নামাজ শেষে রমজানে তারাবির নামাজের ইমাম নিয়োগ নিয়ে মসজিদ কমিটির লোকজন ও মুসল্লিদের আলোচনা হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে হাতাহাতি শুরু হলে আব্দুল আউয়ালসহ তাঁর চার ছেলে ফারুক, মিশুম, মানিক, মাসুমসহ রাজ্জাক ও সুমন মিলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জলিল মিয়ার ওপর হামলা চালায়। হামলায় জলিল গুরুতর আহত হন। এ সময় উপস্থিত স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বুধবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহতের বড় ভাই আজিজুল হক বলেন, ‘বিনা কারণে আউয়াল ও তাঁর ছেলেরা আমার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমি হত্যাকারীদের বিচার চাই।’
পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’