হোম > সারা দেশ > মুন্সীগঞ্জ

পাঁচ বছর পর খুলছে কমিউনিটি ক্লিনিক, স্বস্তিতে স্থানীয়রা

টঙ্গিবাড়ী (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি

সপ্তাহে দুই দিন চালু থাকবে চর বেহেরপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক। ছবি: আজকের পত্রিকা

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নে ২০২১ সালে স্থাপিত হয় চর বেহেরপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক। এরপর পাঁচটি বছর পেরিয়ে গেছে। অথচ জনবল ও লজিস্টিকস সুবিধার অভাবে চালু হয়নি ক্লিনিকটি। ফলে চর বেহেরপাড়া ও আশপাশের এলাকার প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। বিশেষত অন্তঃসত্ত্বা নারীরা তাঁদের প্রসব পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার ৬ মাস পর অবশেষে চালু হতে যাচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিকটি।

আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ক্লিনিকটি পরিদর্শন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবদুল মালেক। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু করার আশ্বাস দেন। আপাতত সপ্তাহে দুই দিন ক্লিনিকটি পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

ডা. মোহাম্মদ আবদুল মালেক বলেন, ‘প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় প্রায় পাঁচ বছর ধরে ক্লিনিকটির কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সপ্তাহে দুই দিন ক্লিনিকটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আশপাশের কয়েকটি গ্রাম এবং এলাকার একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে বিপুলসংখ্যক মানুষের বসবাস। পাশাপাশি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পেও অনেক মানুষ বসবাস করেন। এসব এলাকার প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য এত দিন দূরের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে হয়েছে।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর ক্লিনিকটি চালুর উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা, নিয়মিতভাবে ক্লিনিকটির কার্যক্রম পরিচালিত হলে নিম্নআয়ের মানুষসহ এলাকার সাধারণ বাসিন্দারা সহজেই প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ক্লিনিকটি চালুর উদ্যোগের পেছনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো, শামীম মোল্লা ও লিখন খানের ভূমিকা রয়েছে।

বুধবার ক্লিনিক পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ইউনিয়ন সভাপতি শামীম মোল্লা, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য খোকন হালদার, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) এস এম মিজানুর রহমান এবং স্বাস্থ্য পরিদর্শক (ইনচার্জ) মেরিনা জাহান মুন্নী।