মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অবৈধভাবে কেটে ট্রলারে বোঝাই করা ফসলি জমির মাটি জব্দের পর তা পুনরায় আগের স্থানে ফিরিয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। কৃষিজমির ক্ষতি আংশিকভাবে পুষিয়ে দিতে আজ সোমবার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্থানীয়রা প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে দৃষ্টান্তমূলক হিসেবে দেখছেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার উপজেলার বেতকা ইউনিয়নের বেতকা বাজার ও ছটফটিয়া এলাকার সাকিনন্থ একো কোল্ডস্টোরেজসংলগ্ন খাল ও ধলেশ্বরী শাখানদীর তীরবর্তী এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালতটি পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওয়াজেদ ওয়াসিফ। অভিযোগ ছিল, বেতকা সেতু থেকে প্রায় এক কিলোমিটারের মধ্যে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির উদ্দেশ্যে ট্রলারে তোলা হচ্ছে। পরে ম্যাজিস্ট্রেট গিয়ে মাটিবোঝাই ট্রলারসহ মাটি কাটার সরঞ্জাম জব্দ করেন। এ সময় মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়। পরে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে দুই দফায় তাঁদের ৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, জব্দ করা মাটি আজ সোমবার পুনরায় আগের স্থানে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে ফসলি জমির ক্ষতি যতটা সম্ভব পুনরুদ্ধার করা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শুধু জরিমানা নয়, জব্দ মাটি আগের স্থানে ফিরিয়ে দেওয়ার ফলে কৃষিজমি রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগের দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। তাঁরা ভবিষ্যতেও অবৈধ মাটি কাটা ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনার দাবি জানান।