মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার সেকান্দার আলী হাওলাদার হত্যা মামলায় তিন ভাইয়ের যাবজ্জীবন এবং আরেক ভাইকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ১৪ আসামি খালাস পেয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামিই জামিনে বেরিয়ে পলাতক।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রথম আদালতের বিচারক নাহিদুর রহমান নাহিদ এ রায় দেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন রাজৈর উপজেলার বাসাবাড়ি এলাকার গফুর হাওলাদারের ছেলে লিটন হাওলাদার, টিটন হাওলাদার ও বাচ্চু হাওলাদার। সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আতিয়ার হাওলাদারও গফুর হাওলাদারের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমিজমা–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৪ সালের ৫ জুলাই বাড়ি ফেরার পথে রাজৈরের বাসাবাড়ি সেতুর কাছে সেকান্দার আলী হাওলাদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি করার পর তিনি মারা যান।
নিহতের ভাই ইলিয়াস হাওলাদার বাদী হয়ে রাজৈর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম।
মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এমারত হোসেন খান বলেন, ‘জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে সেকান্দার আলী হাওলাদারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করতে লোহা, শাবল ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তিনি মারা যান।’
এমারত হোসেন খান বলেন, মামলায় ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। রায়ে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন এবং একজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ রায়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।