লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। আজ রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে তিনি দেশের সর্ববৃহৎ এ সেচ প্রকল্প পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে ব্যারেজের গেট পরিচালনা ও পানি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে জানতে চান।
বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিনি উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের দোয়ানি এলাকার ব্যারাজের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী মিসেস ডিয়ান ডাও, মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তা মিস নিকোল ক্লারিসা বেসনার্ড, সৈয়দ ফাইজুস সালেহিন ও রাজনীতিক বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদ, নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক রুহুল আমিন, পানি উন্নয়ন বোর্ড রংপুর উত্তরাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. সরফরাজ বান্দা, রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক ও প্রকৌশলী আহসান হাবীব ও মিজানুর রহমান, নীলফামারী ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চন্দ্র, হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপজন মিত্র ও ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান প্রমুখ।
তিস্তা রেস্ট হাউজের সম্মেলন কক্ষে সভায় রাষ্ট্রদূত তিস্তা ব্যারাজ পরিচালনা, পানি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে জানতে চান।
পরিদর্শনকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্যারেজের মূল অবকাঠামো ঘুরে দেখেন এবং এর গেট পরিচালনা ও পানি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার নানাদিক পর্যবেক্ষণ করেন। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) স্থানীয় প্রকৌশলীরা তাঁকে এই সেচ প্রকল্পের কারিগরি দিক, কমান্ড এলাকার সেচ কার্যক্রম এবং গেট ওঠা-নামার মাধ্যমে পানি নিয়ন্ত্রণের মূল পদ্ধতিসমূহ সরেজমিনে বুঝিয়ে বলেন।
এ সময় রাষ্ট্রদূত তিস্তা ব্যারেজের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে তিস্তা নদী প্রবাহ চিত্র, পানির স্তর পরিমাপ, তিস্তার পানি সেচ ব্যবস্থা সরবরাহের বিভিন্ন চিত্র দেখেন। এরপর তিনি মূল ব্যারাজ সেতু পরিদর্শন করেন।
পরে ওই রেস্ট হাউজে দুপুরের খাবার শেষে সড়কপথে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ইএসডিও গেস্ট হাউজের উদ্দেশে রওনা হন।