লালমনিরহাটের পাটগ্রামের সীমান্ত দিয়ে আবারও পুশ ইনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। তবে এই অপচেষ্টা আবারও ব্যর্থ করে দিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দিবাগত রাত দেড়টায় এ ঘটনা ঘটে।
৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) সহকারী পরিচালক (এডি) আব্দুর রাজ্জাক শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে বিএসএফ কর্তৃক পুশ ইনের চেষ্টার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি ও সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৫৭-এর উপপিলার ১৩ নম্বরের একদিকে পাটগ্রাম উপজেলার পাটগ্রাম সদর ইউনিয়নের টেপুরগাড়ী সীমান্ত এলাকা। অপরদিকে ভারতের কোচবিহার রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার মেখলিগঞ্জ থানার সরকারপাড়া সীমান্ত এলাকা।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড় টায় ওই সীমান্ত দিয়ে ভারতের ১৫৬ রানীনগর বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মীররাপা ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৫ জনকে কাঁটাতারের গেট (ফটক) দিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। বিষয়টি টেপুরগাড়ী এলাকার স্থানীয়রা বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গেই দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬১ ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) কালীরহাট ক্যাম্পের টহল দলকে জানায়।
এ সময় বিজিবি ও স্থানীয়রা সীমান্তে অবস্থান নিলে পুশ ইনের জন্য আনা ব্যক্তিদের ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বিএসএফ। বর্তমানে ওই সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে স্থানীয়রা অবস্থান নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬১ ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম বলেন, তিনজন ব্যক্তিকে ভারত থেকে এনে কাঁটাতারের গেইট দিয়ে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবির টহল দলের সদস্যরা তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে পুশ ইনে বাধা প্রদান করলে বিএসএফ তাদের ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। ওই ঘটনার পর থেকে সীমান্তে বিজিবির নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।