হোম > সারা দেশ > যশোর

রাস্তা খুঁড়ে পাঁচ মাস ধরে ফেলে রেখেছেন ঠিকাদার

কার্যাদেশ পেয়ে গত বছরের আগস্টে যশোরের মনিরামপুরের হাকোবা ঈদগাহ মোড় থেকে সোনাডাঙ্গা পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র অভিমুখী দেবিদাসপুর সড়কটির খোঁড়াখুঁড়ির কাজ শুরু করেন ঠিকাদার। তখন ২ হাজার ৬১০ মিটার (২ দশমিক ৬১ কিলোমিটার) সড়কের ইটের সলিং তুলে প্রায় ৫০০ মিটার রাস্তা খুঁড়ে গর্ত করে আর কাজ করেননি ঠিকাদার। সেই থেকে পাঁচ মাসের অধিক সময় ধরে পড়ে আছে বেহাল সড়কটি। ফলে সড়কটিতে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এলাকার কয়েক হাজার মানুষ। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, সোনাডাঙ্গা পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থেকে দেবিদাসপুর স্লুইসগেট পর্যন্ত রাস্তা গভীর করে খোঁড়া রয়েছে। রাস্তার এ অংশে কিছু বালু দেওয়া হয়েছে। রাস্তার বাকি অংশের হাকোবা শ্মশানঘাট পর্যন্ত ইটের সলিং তুলে ফেলা হয়েছে। 

গেল বছর সোনাডাঙ্গা পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থেকে দেবিদাসপুর স্লুইসগেট পর্যন্ত রাস্তা খোঁড়ার পর পাশের হরিহর নদ থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে রাস্তায় ফেলছিল ঠিকাদারের লোকজন। খবর পেয়ে তখন ভ্রাম্যমাণ আদালত বালু তোলা যন্ত্র জব্দ করেন। এরপর থেকে আর রাস্তার কাজ চলেনি। 

স্থানীয় ব্যক্তিরা বলছেন, এ সড়ক হয়ে বাকোশপোল, সোনাডাঙ্গা ও দেবিদাসপুর গ্রামের অধিকাংশ কয়েক হাজার মানুষ মনিরামপুর বাজারে আসা-যাওয়া করেন। আশপাশে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় দেবিদাসপুর গ্রামের শিক্ষার্থীরা এ সড়কে মনিরামপুর বাজারে স্কুল-কলেজে যাতায়াত করে। গ্রামবাসী মাঠের ফসল ঘরে তোলেন এ রাস্তা দিয়ে। ঠিকাদার রাস্তার ইট তুলে কিছু অংশ খুঁড়ে রেখেছে। এখন খোঁড়া অংশ দিয়ে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। সলিং ওঠানো অংশও চলাচলের অনুপযোগী। ঠিকাদার কাজ ফেলে রেখে আর খবর নেয়নি। গ্রামবাসী মাসের পর মাস দুর্ভোগে থাকলেও তা লাঘবে এগিয়ে আসেনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কেউ। 

উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তরের সূত্রমতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে হাকোবা ঈদগাহ মোড় থেকে মনিরামপুর পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র পর্যন্ত দেবিদাসপুর গ্রামের ভেতরের ২ হাজার ৬১০ মিটার দীর্ঘ সড়কটি পাকা করার জন্য ২ কোটি ১১ লাখ টাকা বরাদ্দে কাজ পায় বিশ্বজিৎ কনস্ট্রাকশন। কার্যাদেশ পেয়ে গত বছরের আগস্টের দিকে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করেন ঠিকাদার বিশ্বজিৎ দাস। 

দেবিদাসপুর স্লুইসগেট এলাকার আবুল কাশেম বলেন, ‘রাস্তা আগে যা ছিল চলতি পারতাম। এখন বৃষ্টি হলি ঘরের বারান্দারতে নামতি পারব না। অনেক দিন হচ্ছে রাস্তা খুঁড়ে রাইখেছে। এরপর আর কাজ করেনি। কেউ খোঁজও নেয় না।’ 

সড়কটি পাকাকরণ কাজের দেখভালের দায়িত্বে আছেন উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তরের নকশাকার গাওসল আজম। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কাজের মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে। এখনো ঠিকাদার রাস্তায় বালু ফেলতে পারেননি। আগে বালু ফেলুক, তারপর অন্য কাজ শুরু হবে।’ 

ঠিকাদার বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘রাস্তা টেন্ডার হওয়ার পর জিনিসপত্রের দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। এ ছাড়া নদী থেকে বালু তোলা বন্ধ হওয়ায় আর বালু দেওয়া হয়নি। দ্রুত আবার কাজ শুরু করব।’ 

মনিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস বলেন, ‘জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক ঠিকাদার কাজ করতে পারছেন না। আমরা তাঁদের কাজের তাগিদ দিচ্ছি।’ 

খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত বিকুলের ভাড়া বাসা থেকে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

যশোরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৭৪টি অবৈধ কয়লার চুল্লি

খুলনা সিআইডির সদর দপ্তরে অগ্নিকাণ্ড

খুলনায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ঠিকাদারের বাড়িতে গুলি ছুড়ল সন্ত্রাসীরা

দখল আতঙ্কে ৩২ পরিবার

ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে খুবি শিক্ষককে শাস্তি

খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা

জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ারকে সতর্ক করলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা

ভৈরব নদে পাওয়া লাশটি ‘ঘাউড়া রাজীবের’

খুলনায় ভৈরব নদ থেকে অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার