হোম > সারা দেশ > খুলনা

এক সপ্তাহে বাজার নিয়ন্ত্রণের রূপরেখা সেই যুগ্ম সচিবের

বাগেরহাট ও মোংলা প্রতিনিধি

কাজী আবেদ হোসেনের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের রূপরেখা। ছবি: আজকের পত্রিকা

যখন কোনোভাবেই দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানতে পারছে না সরকার, তখন দেশব্যাপী দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের রূপরেখা উপস্থাপন করেছেন যুগ্ম সচিব কাজী আবেদ হোসেন। তিনি মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের (অর্থ) দায়িত্বে রয়েছেন।

আজ রোববার সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে এই মডেলে সাধারণ মানুষের হাতে কীভাবে কম মূল্যে সহজভাবে পণ্য পৌঁছাতে পারে, সাংবাদিকদের কাছে তেমন অন্তত ৫০টি রূপরেখা তুলে ধরেন। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে তাঁর এই মডেলটিতে সরকারের অর্থ ব্যয় হবে না। এমনকি অতিরিক্ত জনবলেরও প্রয়োজন হবে না বলে জানান তিনি।

এর আগে প্রজননের সময় ইলিশ মাছ না ধরার মডেল উদ্ভাবন করেন কাজী আবেদ হোসেন। সেটা বাস্তবায়িত হলে ২০০৯ সালে জাতীয় স্বর্ণপদক লাভ করেন এই সরকারি কর্মকর্তা।

রূপরেখাটি মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর তা বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। সেখান থেকে গত ১৫ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এরপর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান কাজী আবেদ হোসেন।

সরকার এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করলে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্রব্যমূল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা তাঁর। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ মডেলের রূপরেখার ব্যাখ্যায় বলা হয়, এ ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত জনবল ও খরচ ছাড়াই বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। প্রয়োজন হবে না নতুন আইন তৈরিরও। যেখানে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে তিনটি কমিটি গঠন করতে হবে এবং বাজারে আলু, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে যেকোনো নিত্যপণ্যের দাম নির্ধারণ হবে কৃষক, উৎপাদক বা আমদানি মূল্যের ওপর। সাধারণ সময়ের পাশাপাশি অতিবৃষ্টি, বন্যাসহ দুর্যোগকালীন সময়ের জন্যও আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধি রোধে করণীয় তুলে ধরা হয়।

তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী গ্রামীণ হাট থেকে জেলা বা বিভাগীয় শহরের প্রতিটি বাজারে বাজারদর বোর্ডে তুলে ধরতে হবে, যা নির্ধারণ করা হবে উৎপাদক বা কৃষক পর্যায়ের দামের ওপর। কোনো বিক্রেতা অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করতে পারবে না। এটি বাস্তবায়ন করা গেলে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্রব্যমূল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করেন তিনি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কাজী আবেদ হোসেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

কাজী আবেদ হোসেন বলেন, এই রূপরেখা বাস্তবায়ন হলে ৬৪ জেলা, বিভাগীয় শহর, উপজেলা ও গ্রামীণ হাট পর্যায়ে দ্রব্যমূল্যে নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত হবে। নিত্যপণ্যের দাম কমাতে কৃষকের উৎপাদন খচর কমানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে তাঁর মডেলে। যেখানে কৃষকের জন্য ডিজেলসহ প্রয়োজনীয় উপকরণের মূল্য হ্রাস এবং হিমাগার, নিত্যপণ্য পরিবহন ও অন্যান্য বিষয়ে নজরদারি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি মডেলটি আরও গ্রহণযোগ্য বা তথ্যভিত্তিক ও বহুমাত্রিক করতে দেশের সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ এবং প্রাজ্ঞজনের সমন্বয়ে একটি গবেষণা কমিটি করারও প্রস্তাব রাখা হয়।

এই রূপরেখা দেওয়ার সময় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ ও উপসচিব মো. মাকরুজ্জামান সভাকক্ষে উপস্থিত ছিলেন।

খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত বিকুলের ভাড়া বাসা থেকে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

যশোরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৭৪টি অবৈধ কয়লার চুল্লি

খুলনা সিআইডির সদর দপ্তরে অগ্নিকাণ্ড

খুলনায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ঠিকাদারের বাড়িতে গুলি ছুড়ল সন্ত্রাসীরা

দখল আতঙ্কে ৩২ পরিবার

ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে খুবি শিক্ষককে শাস্তি

খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা

জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ারকে সতর্ক করলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা

ভৈরব নদে পাওয়া লাশটি ‘ঘাউড়া রাজীবের’

খুলনায় ভৈরব নদ থেকে অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার