ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী শেখপারা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে হঠাৎ মধ্যরাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস।
জানা যায়, কুষ্টিয়া খুলনা মহাসড়কের গড়াই বাসে বাসের হাফ পাস নিয়ে ঝামেলা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে। তাৎক্ষণিক বাসে থাকা এক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বন্ধুদের ঘটনা জানিয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে বাস আটকানোর ছক কষেন। বাস স্টাফরা এ ঘটনা জানতে পেরে ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী শেখপারা বাজারে বাস থামিয়ে দেয়।
এরপর তাঁরা স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ করে। এ সময় স্থানীয়রা বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীদের মারধর ও ধাওয়া করে। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আটক করেন এলাকাবাসী। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। হামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন পাঁচজন। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর রাত ১০টার দিকে মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করেন স্থানীয়রা। হামলার প্রস্তুতি নিয়ে লালনশাহ হলের পকেটে গেটে ঢুকে পড়েন কয়েকজন।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য জিয়া হলের সামনে অবস্থান নেন। শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধের কবলে স্থানীয়রা পিছু হটেন। এতে মুহূর্তেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে শেখ পাড়া বাজারে অবস্থান করেন।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সঙ্গে মিটিং চলছে। সমাধানের চেষ্টা করছি আমরা।’