খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় চিকিৎসক ও চক্ষুশিবিরের পরিচালক পরিচয়ে অনুমোদন ছাড়াই চক্ষুশিবির পরিচালনার অভিযোগে পাঁচজনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাঁদের মধ্যে জরিমানা অনাদায়ে দুজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি তিনজন জরিমানা দিয়ে মুচলেকায় মুক্তি পেয়েছেন।
আজ বুধবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আফরোজ ভূঁইয়া। বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনে দুজনকে ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং তিন সহযোগীকে ১ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন ঢাকার কোতোয়ালি থানার শাহাজাদা মিয়া লেনের বাসিন্দা অনুপ কুমার বিশ্বাস, পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া এলাকার মো. মানিক হাওলাদার, ঢাকার কেরানীগঞ্জের মো. আরিফ হোসেন ও মো. জাহিদ হোসেন এবং চট্টগ্রামের ডবলমুরিং এলাকার আবদুল কাইয়ুম রিফাত।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আফরোজ ভূঁইয়া জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নিজেদের একটি হাসপাতালের পরিচালক ও চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে উপজেলার ছদুরখীল, বাটনাতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষকে একত্র করে চক্ষুশিবির পরিচালনা করছিলেন। শিবিরে চশমা ও ওষুধ বিক্রিও করা হচ্ছিল।
তাহমিনা আফরোজ ভূঁইয়া বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নিজেদের পরিচয় ও চক্ষুশিবির পরিচালনার বিষয়ে কোনো বৈধ কাগজপত্র বা অনুমতিপত্র দেখাতে পারেননি। এ ঘটনায় বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।