জয়পুরহাট সদর উপজেলার জিতারপুর এলাকার একটি আখখেত থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির কংকাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উদ্ধার করা কংকালটি ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের দাবি, কংকালটি সম্প্রতি নিখোঁজ অটো ভ্যানচালক ফরিদ হোসেনের মরদেহের অবশিষ্টাংশ হতে পারে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে জিতারপুর এলাকার একটি আখখেতে কংকাল পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে জয়পুরহাট সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কংকালটি উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের ধারণা, ওই ব্যক্তিকে হত্যার পর মরদেহ আখখেতে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
জয়পুরহাট সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু শাহীন কাদির বলেন, ‘মরদেহটি পচে গিয়ে কেবল কংকাল অবশিষ্ট থাকায় এটি পুরুষ না নারীর, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। পরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ পরীক্ষায় নমুনা পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ ও পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল ইসলাম জানান, ২০ আগস্ট সকালে ক্ষেতলাল উপজেলার হোপেরহাট গ্রামের ফরিদ হোসেন অটো ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
পুলিশ অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার পাকার মাথা এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে ফরিদের অটো ভ্যান উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ আখখেত থেকে কংকাল উদ্ধারের পর এর সঙ্গে থাকা পোশাক দেখে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, এটি নিখোঁজ ফরিদ হোসেনের মরদেহের অবশিষ্টাংশ হতে পারে।
পুলিশ জানিয়েছে, পোশাক দেখে পরিবারের দাবির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেলে কংকালটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।