ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মীর ফারুক (৪০) নামের এক রিকশাচালককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় লোকজন। আজ শনিবার সকালে কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মীর ফারুক ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি পৌরসভা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও শিশুটির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার রাতে মীর ফারুক শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। আজ সকালে ভুক্তভোগী শিশু বিষয়টি তার মাকে জানালে প্রতিবেশীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ফারুককে মারধর করেন। খবর পেয়ে থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।
এদিকে আটক হওয়ার পর ফারুকের বিরুদ্ধে নিজের কন্যাসন্তানকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলেন তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে। তাঁর স্ত্রী অভিযোগে বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার বিকেলে মীর ফারুক মেয়েকে নদীর পাড়ে নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন। শ্লীলতাহানির বিষয়টি যেন কাউকে না জানানো হয়, সেই শর্তে মেয়েকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন তিনি। পরে মেয়ে আমার কাছে ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলে।’
কালীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত মীর ফারুককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে তদন্ত চলছে।
ঝিনাইদহের দায়িত্বরত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘অভিযুক্ত রিকশাচালককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শুনেছি রিকশাচালক ফারুকের বিরুদ্ধে নিজের কন্যাসন্তানের শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছে তার স্ত্রী ও সন্তান। তবে রিকশাচালকের স্ত্রী কোনো মামলা করবেন না বলে জানিয়েছেন।’