সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকায় নিয়োগপত্র পাননি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিশন আচার্য। নিয়োগপত্রের আশায় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগের পর এবার তাঁর নিয়োগের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার কথা জানিয়েছেন রাশেদ খান। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।
জানা গেছে, মিশন আচার্য (৩০) ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। তাঁর মা ময়না আচার্য গৃহপরিচারিকার কাজ করে তাঁকে পড়াশোনা করিয়েছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন মিশন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও স্থায়ী ঠিকানায় নিজস্ব বসতভিটা না থাকায় নিয়োগপত্র পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ মিশন আচার্যের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে রাশেদ খান লেখেন, ‘আমি একটু আগে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি দ্রুতই সমাধান হবে এবং সে শিগগিরই নিয়োগ পাবে। চাকরিপ্রত্যাশী ছোট ভাইটি আমার এলাকার হওয়ায় ঝিনাইদহ থেকে অনেকে আমাকে বিষয়টি জানিয়েছিল, তাদেরও অসংখ্য ধন্যবাদ।’
এ বিষয়ে মিশন আচার্য বলেন, ‘রাশেদ ভাইয়ের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়েছে। তিনি আমাকে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করিয়ে দেবেন এবং নিয়োগপত্র পাওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। তবে এখনো নিয়োগপত্র পাইনি। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সবার চেষ্টায় দ্রুত নিয়োগপত্র হাতে পাব বলে আশাবাদী।’