ঝিনাইদহের সদরে ৪ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ এবং সালিসের মাধ্যমে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে তোলা হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, সদর উপজেলার শুকুর আলী মণ্ডল (৬৮), তাঁর দুই ছেলে মো. রেজাউল মণ্ডল (৪২) ও মো. তিজারত মণ্ডল (৩৯) এবং শুকুর আলীর ভাই আব্দুর রহমান (৬৫)।
গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ অক্টোবর সকালে শিশুটি শুকুর আলী মণ্ডলের বাড়িতে যায়। বাড়িটি নির্জন হওয়ায় সেখানকার সিঁড়িতেই শুকুর আলী শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। এ সময় শিশুটির কান্না শুনে আশপাশের লোকজন সেখানে জড়ো হন। তাঁরা শিশুটিকে শুকুর আলীর কাছ থেকে উদ্ধার করে তার মাকে খবর দেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, শুকুর আলীকে আটকে রাখার চেষ্টা করা হলে তাঁর ছেলে ও ভাই তাঁকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। পরে শুকুর আলীর ভাই আব্দুর রহমান ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীর পরিবারকে অর্থের প্রলোভন দেখান।
ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘গতকাল শিশুটির মা থানায় মামলা করেন। এরপর ধর্ষণের অভিযোগে শুকুর আলীকে আটক করা হয়। ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে পরে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চারজনকেই আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
ঝিনাইদহ কোর্ট পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চিরঞ্জীব বলেন, আসামিদের আদালতে তোলা হলে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।