জামালপুরের মাদারগঞ্জে শিশু ধর্ষণে হত্যার জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও মিছিল করে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। এরপরই অভিযান চালিয়ে এ কর্মসূচির আয়োজক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের একজন নেতা ও এক সক্রিয় কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাজিতেরপাড়া বাজার এলাকায় ছাত্রলীগের ব্যানারে এ কর্মসূচি করেন দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
আটক দুজন হলেন—আদারভিটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিপু হাসান ও ছাত্রলীগ কর্মী মিরাজ।
সর্বশেষ রাত ১০টা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে মাদারগঞ্জ থানা-পুলিশ। এর আগে দুজনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই বলেও জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর শিশু মরিয়ম বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্কুলের পাশে বাড়িতে সহপাঠীকে নিতে গিয়ে তার বাবা জামিনুর ইসলাম (৩২) কাছেই ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে নিজ ঘরের মেঝেতে গর্ত করে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়। ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার বিচারের দাবিতে আজ বিকেলে বাজিতেরপাড়া বাজার এলাকায় মানববন্ধন ও মিছিল করে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
মিছিলের নেতৃত্ব দেন আদারভিটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিপু হাসান। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিল ও মানববন্ধনের খবর পেয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দিপু হাসান ও মিরাজকে আটক করে।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায় বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ব্যানারে শিশুহত্যার বিচারের দাবিতে মিছিল করা হয়। খবর পেয়ে সংগঠনটির দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।