হোম > সারা দেশ > গাজীপুর

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, কয়েকজন চিকিৎসক অনুপস্থিত

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি 

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ছবি: আজকের পত্রিকা

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে কয়েকজন চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেজওয়ানা রশিদও হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পর ডা. রেজওয়ানা রশিদ বাসা থেকে হাসপাতালে এসে পৌঁছান। এ সময় মন্ত্রী তাঁর অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি ছুটিতে থাকার কথা জানান। তবে ছুটির কোনো অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

এই ঘটনায় মন্ত্রী স্বাস্থ্যসেবায় কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলতা এবং নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মোটামুটি সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তবে কিছু অনিয়ম ও ত্রুটি তাঁর নজরে এসেছে বলে জানান। বিষয়গুলো নোট করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি স্থানীয় জনগণের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়। স্থানীয় সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে আবেদন এলে হাসপাতালের শয্যার সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবায় জবাবদিহি ও সেবার মান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

শ্রীপুরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ ভূমিহীন পল্লির শতাধিক পরিবারের

দেশের মাটিতে বিদেশি আঙুর চাষ: প্রথম বছরেই বাজিমাত

গাজীপুরে অটোরিকশার চাপায় শিশুর মৃত্যু

টঙ্গীতে পলিথিন কারখানায় জরিমানা, বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন‎

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিশুশিক্ষার্থীকে পিষে মারল কাভার্ড ভ্যান

তল্লাশি চলাকালে হামলা, পুলিশ সদস্য আহত‎

মাদক সেবন ও কারবারে জড়িত দুজনকে কারাদণ্ড

শ্রীপুরে ইমামের মেয়েকে অস্ত্রের মুখে অপহরণের অভিযোগ, সাতজন গ্রেপ্তার

শ্রীপুরে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসলে নেমে দুই স্কুলছাত্রী নিখোঁজ, একজনের মরদেহ উদ্ধার

শ্রীপুরে ঝড়ে ৩০০ হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত, ভেঙে গেছে ৪০০ বসতবাড়ি