হোম > সারা দেশ > গাইবান্ধা

সুন্দরগঞ্জে ৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি ৪

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

হাসপাতালের মেঝেতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে গত কয়েক দিনে ৬ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে চারজন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে তিনজন পুরুষ এবং হাসপাতালের বারান্দায় একজন নারী রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মো. কামরুল হাসান।

চিকিৎসক মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘ডেঙ্গুর বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে কয়েকজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে তাঁদের পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ৬ জনের ডেঙ্গু পজিটিভ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁদের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

চিকিৎসাধীন ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের মজিদপাড়া গ্রামের মো. হযরত আলীর ছেলে মো. আঙ্গুর মিয়া, শান্তিরাম ইউনিয়নের পরান গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে মো. কাজিউল মিয়া, একই ইউনিয়নের মো. রবিউল ইসলামের ছেলে মো. আল আমিন মিয়া এবং হরিপুর ইউনিয়নের কাশিমবাজার ডাঙ্গারচর গ্রামের মো. মোসলিম মিয়ার স্ত্রী মোছা. ফুলমতি বেগম।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, ডেঙ্গু ওয়ার্ডে তিনজন পুরুষ এবং হাসপাতালের বারান্দায় একজন নারী রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

মোছা. ফুলমতি বেগম বলেন, তারাপুর ইউনিয়নের চৈতন্য বাজার এলাকায় বেড়াতে গিয়ে তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। অন্য তিনজন ঢাকা থেকে জ্বর নিয়ে বাড়ি ফেরেন। ওষুধ খাওয়ার পরও জ্বর না কমায় তাঁরা সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। পরে পরীক্ষায় তাঁদের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।

ডেঙ্গু আক্রান্ত মো. কাজিউল মিয়া বলেন, ‘আমি ঢাকায় চাকরি করি। কয়েক দিন আগে জ্বর নিয়ে বাড়িতে আসি। ওষুধ খাওয়ার পরও জ্বর না কমায় সুন্দরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি হই। পরে পরীক্ষা করে জানতে পারি, আমি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছি। এখন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি।’

মো. আঙ্গুর মিয়ার বাবা মো. হযরত আলী বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে আমার ছেলের শরীরে জ্বর ছিল। প্রথমে সাধারণ জ্বর মনে করে স্থানীয়ভাবে ওষুধ খাওয়ানো হয়। কিন্তু জ্বর না কমায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে পরীক্ষা করে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। এখন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।’