টিকটকের মডেল বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে ফরিদপুরের নিষিদ্ধ পল্লিতে বিক্রির দায়ে আদল কাজী (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার বেলা ২টার দিকে ফরিদপুর মানব পাচার ও অভিবাসন চোরাচালান দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। এ ছাড়া পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় মূল অভিযুক্ত সুমন ওরফে রাসেল (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ফরিদপুর জেলা সদরের পূর্বগঙ্গাবর্দী গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ মামলায় সুমন ওরফে রাসেলের নাম-ঠিকানা সঠিক না পাওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়। আদল কাজীর বিরুদ্ধেই আদালতে শুনানি চলে। এই শুনানিতে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে বিচারক এই রায় দেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মানব পাচার ও অভিবাসন চোরাচালান দমন আইনের ১০ ধারায় ওই ব্যক্তিকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং একই আইনের ১১ ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে উভয় সাজা তাঁকে একসঙ্গে ভোগ করতে হবে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন।