হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ডাকাতি মামলার সাক্ষী প্রতিবেশী গৃহবধূ তদন্তে হলেন আসামি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের আবাসিক এক ভবনে ডাকাতির ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডাকাতির এ ঘটনার মূল পরিকল্পনা ও নেতৃত্ব দিয়ে ভুক্তভোগী হিসেবে এজাহারে নিজের নাম সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন একই ভবনে বসবাসকারী গৃহবধূ জেসমিন (৩৭)।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, কামরাঙ্গীরচরের আবাসিক ওই ভবনের এক গৃহবধূই পুরো ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী ও নেতৃত্ব দিয়েছেন। ডাকাতির পর তিনি ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি মামলার এজাহারেও নিজের নাম সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করান, যাতে সন্দেহের বাইরে তিনি থাকতে পারেন।

পুলিশ জানায়, গত ১৮ জুলাই (শনিবার) সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিট থেকে ৭টা ৫০ মিনিটের মধ্যে কামরাঙ্গীরচরের মাহদীনগর এলাকার রক্সি গলি সংলগ্ন একটি ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলার একটি বাসায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। বাসা দেখার কথা বলে পাঁচজন ডাকাত ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে। এ সময় সেখানে থাকা তিন নারীকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে। পরে নগদ প্রায় ২০ লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণালংকার ও চারটি মোবাইল ফোন লুট করে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কামরাঙ্গীরচর থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে জেসমিন ওরফে ইয়াসমিন (৩৭), মোহাম্মদ সজীব আলম (২৯), মোহাম্মদ রিপন মিয়া (৪২) এবং মোহাম্মদ ফারুক খানকে (৫০) গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং এক জোড়া স্বর্ণের দুল, এক জোড়া বালা, একটি ব্রেসলেট, এক জোড়া চুড়ি, এক জোড়া ঝুমকা ও এক জোড়া পাশা উদ্ধার করা হয়।

ডিসি জানান, ডাকাতি ঘটনার পর আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করে অভিযান চালায় কামরাঙ্গীরচর থানা-পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাতে প্রথমে সজীব আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। রিপনের বাসা থেকে এক লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে ফারুক খানকে গ্রেপ্তার করে তার বাসা থেকে আরও এক লাখ টাকা ও লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই ভবনের সপ্তম তলার বাসিন্দা জিয়াসমিন ওরফে জেসমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুরো ডাকাতির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন একক নেতৃত্ব দিয়েছে এই জেসমিন।

পুলিশের ভাষ্য, জেসমিনের ভুক্তভোগীর বাসায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল। এ কারণে তিনি বাসায় বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা থাকার বিষয়টি জানতেন। সেই তথ্য কাজে লাগিয়ে পরিচিত কয়েকজনকে নিয়ে ডাকাতির পরিকল্পনা করেন। ঘটনার দিন তিনি নিজেই ডাকাতদের ভবনে প্রবেশে সহায়তা করেন এবং ডাকাতি শেষে নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। পরে সন্দেহ এড়াতে তিনি ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনা দেন এবং মামলার সাক্ষী হিসেবেও নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করান। এমনকি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে সেখানেও উপস্থিত ছিলেন তিনি।

ডিসি মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট আটজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অন্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।

১২৭ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ

রাজধানীর হাজারীবাগে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

রাজধানীতে ৯৯ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

সাভারে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের মৃত্যু

বৃদ্ধ মাকে দেখে ফেরার পথে হানিফ ফ্লাইওভারে প্রাণ হারালেন মোটরসাইকেল আরোহী

ঢাবিতে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ

দ্বিতীয় বিয়ের পাত্রী দেখতে যাওয়ার পথে অপহৃত হন সুন্দর আলী

জাবিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ৮ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার

অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন ও হুটার ব্যবহার করলে কঠোর ব্যবস্থা