রাজধানীর বনানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের মশাল মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ৩ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে একই ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪ জনকে শিশু উন্নয়নকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন—মো. আরিফ (১৯), মো. শাকিল আহমেদ (১৯) ও আশিক আহমেদ মোস্তফা (১৯)। অন্যদিকে, অপ্রাপ্তবয়স্ক চারজনকে গাজীপুরের শিশু উন্নয়নকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ৭ জনকে আদালতে হাজির করে বনানী থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম তালুকদার ৭ জনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু চারজনকে শিশুর উন্নয়ন কেন্দ্রে ও বাকি তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী তুষার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিবাগত রাতে বনানী থানার ডলফিন ভাস্কর্য ও আর্মি স্টেডিয়ামের বিপরীত পাশে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ১০০ থেকে ১২০ জনের একটি দল জড়ো হয়ে মশাল মিছিল ও নাশকতার চেষ্টা চালায়।
খবর পেয়ে বনানী থানা-পুলিশের একটি বিশেষ টহল দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় সাতজনকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দলের অন্য সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরবর্তীতো এ ঘটনায় বনানী থানায় পুলিশের এসআই সিদ্দিক হোসেন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে নাশকতায় ব্যবহারের অভিযোগে ৭০টি মশাল, একটি ব্যানার ও ৭৭টি ফেস মাস্ক জব্দ করা হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা একত্রে মিলিত হয়ে মশাল মিছিলের আয়োজন করে। তাঁরা দেশকে অস্থিতিশীল করতে এবং দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য একত্রিত হয়ে বিভিন্ন বেআইনি কার্যক্রম পরিচালনা করার পরিকল্পনা করছিলেন।