ঢাকার আশুলিয়ায় নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর আব্দুর রহমান (৫) নামের এক শিশুর হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল বাজার চৌরাস্তা এলাকার একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আব্দুর রহমানের বাবা শহীদ মিয়া জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার বাগবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। পেশাগত কারণে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে তিনি আশুলিয়ার ভাদাইল বাজার চৌরাস্তা এলাকায় হারুন মিয়ার মালিকানাধীন ওই বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকেন। বুধবার বিকেলে সেখান থেকেই নিখোঁজ হয় আব্দুর রহমান।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল বুধবার বিকেলে বাড়ি থেকে হঠাৎ শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সন্ধ্যার দিকে বাড়ির মালিকের স্ত্রী রিনা বেগম হাঁসের খাবার দিতে ছাদে যান। সেখানে একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা পড়ে থাকতে দেখে তাঁর সন্দেহ হয়। পরে তিনি চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছাদে ছুটে যান।
শিশুটির বাবা শহীদ মিয়া বলেন, রিনা বেগমের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছাদে গিয়ে বস্তার ভেতরে তাঁর ছেলের হাত-পা বাঁধা মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে। তার হাত-পা বাঁধা ছিল। কে বা কারা শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহটি ছাদে বস্তাবন্দী করে রেখে গেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।