বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের হওয়া মাদ্রাসার ছাত্র আরিফ ও আদাবর থানায় রুবেল হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখা হয়েছে। হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনে বুধবার ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক।
এই দুই মামলাসহ পৃথক সাত মামলায় জামিন বহাল থাকলেও অন্য এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন ঘিরে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ফলে আপাতত তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবীরা।
এর আগে দুই মামলায় গত ১২ মে হাইকোর্ট রুল দিয়ে খায়রুল হককে জামিন দেন। পরে জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন। খায়রুল হকের পক্ষে ছিলেন– জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু ও মোস্তাফিজুর রহমান খান।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলা, মাদ্রাসা ছাত্র আরিফ হত্যা মামলা ও আদাবর থানার রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির ঘটনায় খায়রুল হকের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায়ও আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা নামের এক ব্যক্তি। এ ছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে প্লট গ্রহণের অভিযোগে গত বছর খায়রুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।