হোম > সারা দেশ > ঢাকা

গৃহকর্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা: ব্যক্তিগত গাড়িচালকের মৃত্যুদণ্ড

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় গৃহকর্ত্রী আফরোজা সুলতানাকে গলা কেটে হত্যার দায়ে তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িচালক মো. হৃদয় ব্যাপারী ওরফে মো. হৃদয় মিঞা ওরফে হৃদয়কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি মো. জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) ও এপিপি রওশন আরা সুলতানা শাওন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন আসামি হৃদয়। পরে সাজা পরোয়ানাসহ তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। রায়ে বলা হয়, তদন্তকালে উদ্ধার হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ, আসামির স্বীকারোক্তি, ডিএনএ পরীক্ষার তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্যে আসামির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আদালত আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী অনুমোদনের জন্য নথি হাইকোর্টে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার আগে মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ঘটনার চার বছর পর বিচার শেষ হলেও অভিযোগ গঠনের পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৩ মার্চ মধ্য বাড্ডার একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে চাকরিজীবী আফরোজা সুলতানাকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরদিন ভিকটিমের ভাই মো. আল মঞ্জিল বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন ডিবি গুলশান জোনের উপপরিদর্শক মো. রিপন উদ্দিন। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামি হৃদয় অনলাইনে জুয়ার আসক্তিতে বিপুল টাকা হারিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। পরে জুয়ার দেনা মেটাতে গৃহকর্ত্রীর স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন।

ঘটনার দিন বিকেলে আফরোজাকে একা পেয়ে হৃদয় নিজ হাতে চাকু দিয়ে তাঁর গলা কেটে হত্যা করেন বলে তদন্তে উঠে আসে। তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটি অনুসন্ধানকালে আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মাটির নিচ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ৯ ইঞ্চি লম্বা রক্তমাখা চাকু, লুণ্ঠিত ২২ দশমিক ০৪ গ্রাম স্বর্ণালংকার, রক্তমাখা টিস্যু পেপার এবং লুণ্ঠিত ৬০০ টাকাসহ একটি ভ্যানিটি ব্যাগ উদ্ধার করেন। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক কে এম মঈন উদ্দীনের ফরেনসিক রিপোর্ট এবং সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিটের ডিএনএ রিপোর্টেও আসামির অপরাধ প্রমাণিত হয়। আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, বিশ্বস্ত কর্মচারী হয়েও বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে একজন নিরপরাধ নারীকে অত্যন্ত বর্বরোচিত ও ঠান্ডা মাথায় জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। এটি একটি ‘বিরল থেকে বিরলতম’ অপরাধ। ঘটনার নৃশংসতা বিবেচনায় মৃত্যুদণ্ডই একমাত্র শাস্তি।

রাজধানীর শাহবাগ ও বাড্ডা থেকে অজ্ঞাতনামা ২ মরদেহ উদ্ধার

এবার আত্মহত্যার চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার টিকটকার প্রিন্স মামুন

আদাবরে বিএনপি নেতা হত্যা মামলার আসামি লেদু র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

মুক্তি পাচ্ছেন না বেরোবির সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহ, আরও এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন

২৫ লাখে খুনি ভাড়া, নেপথ্যে বিএনপি নেতা জনি: সংবাদ সম্মেলনে যুবদল নেতা

সংশোধিত তামাক আইন বাস্তবায়নে দ্রুত বিধিমালার দাবি

কেরানীগঞ্জে কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

মিরপুরে দেয়াল ধসে নিহত অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত

সংসদ ভবন এলাকায় গণপূর্ত কার্যালয়ে আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

ভারত-আমেরিকার আধিপত্য মেনে নেব না: নাহিদ ইসলাম