রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ১৫ জন নেতা কর্মীকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন রিমান্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. হাফিজুর রহমান প্রত্যেককে ৭ দিনের রিমান্ডে দেওয়ার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামির পক্ষে রিমান্ড বাতিলের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেককে তিন দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন-মোতালিব, মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান, শাহিন হোসেন ইমন। তাঁরা নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার নেতা কর্মী।
এর আগে গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা এলাকা থেকে রিমান্ডে নেওয়া আসামিসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৫২ জন নেতা কর্মীকে আটক করে পুলিশ। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
একই মামলায় দুই কিশোর ঈশান ও হাসিবকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
মামলায় বলা হয়েছে, আটক ব্যক্তিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁরা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে জড়ো হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, আসামিরা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও আতঙ্ক সৃষ্টির পরিকল্পনা করছিলেন। একই সঙ্গে নাশকতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তা, ষড়যন্ত্র ও অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করছিলেন।