হোম > সারা দেশ > ঢাকা

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৫

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার পাঁচজন। ছবি: সংগৃহীত

বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একটি প্রকল্পে চাকরি করতেন ফারুক হোসেন নামের এক প্রকৌশলী। ২০১৩ সালে দুর্নীতির অভিযোগে তাঁর চাকরি চলে যায়। এরপর গড়ে তোলেন সংঘবদ্ধ চক্র। শুধু তা-ই নয়, নিজের চাকরি ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে চাপ দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবকে।

অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ। পরে প্রতারণার অভিযোগে ফারুক হোসেনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। রাজধানীতে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আজ মঙ্গলবার বিকেলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. ফারুক হোসেন (৪১), সাকিব খান (২৫), মাসুম মুনসী (৪৫), মীর তৌহিদুল ইসলাম (৩৬) ও মো. বকুল মন্ডল (৩৫)।

তাঁদের মধ্যে তদবির ও চাপ সৃষ্টির মূল কাজটি করতেন ফারুক হোসেন। সাকিব খান বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা, মাসুম মুনসী ভুয়া সিল ও মীর তৌহিদুল ইসলাম চিঠিপত্র-ড্রাফট তৈরি করতেন বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম।

মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সংঘবদ্ধ চক্রটি চাকরিচ্যুত একজন কর্মচারীর (গ্রেপ্তার ফারুক হোসেন) চাকরি ফিরিয়ে দিতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায়। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী, চারজন মন্ত্রী, দুইজন যুগ্ম সচিবের স্বাক্ষর জাল করে বসানো ছিল। চিঠি পাঠিয়ে চক্রের একজনকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার উজ্জ্বলের ছবিসংবলিত একটি হোয়াটসঅ্যাপ থেকে ফোন করে সচিবকে অতি দ্রুত নিয়োগ দিতে চাপ দেন। বিষয়টি সচিবের সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিক তিনি প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীকে চিঠি দেখান। এরপর মন্ত্রী পুলিশকে বিষয়টি জানালে গোয়েন্দা বিভাগ তদন্তে নামে। তদন্তে দেখা যায়, ফারুক হোসেন নামের একজন প্রকৌশলী এই চক্রে জড়িত।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে একটা ভুয়া কোম্পানিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য আরেকটি চিঠি পাঠায় চক্রটি। এ বিষয়ে তদন্ত করে মাদারীপুরের কালকিনি থেকে চারজন এবং কুষ্টিয়া থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেন ২০০৫ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একটি প্রকল্পে চাকরি করতেন। ২০১৩ সালে দুর্নীতির দায়ে তাঁর চাকরি চলে যায়। ফারুক সম্প্রতি চাকরি ফিরে পেতে প্রতারণার আশ্রয় নেন। এমনকি কর্মকর্তাদের পদায়নসহ নানা প্রতারণা করতে একটি সংঘবদ্ধ চক্রও গড়ে তোলেন তিনি।

ডিবি জানায়, সংঘবদ্ধ চক্রটির কাছ থেকে ৪ বান্ডিল বিভিন্ন সংসদ সদস্য (এমপি) ও মন্ত্রী পরিষদ সচিবদের অফিশিয়াল লেটারহেড প্যাড, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও অন্যান্য উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিদের সিল ও স্বাক্ষরসংবলিত ৪১টি সিল, প্রতারণা ও জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত আটটি মোবাইল ফোন, দুটি কম্পিউটার ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আসামিদের রেকর্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া এই চক্রের সঙ্গে কোনো সরকারি কর্মকর্তা জড়িত আছেন কি না, তা মামলার তদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

প্রেসক্লাবের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হাসপাতালে অবরুদ্ধ শান্তা ফারজানা

বিএনপি কর্মী পলাশ হত্যার রহস্য উন্মোচন, চার আসামির জবানবন্দি

বুড়িগঙ্গা নদীর পৃথক স্থান থেকে দুই ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

সংসদীয় ও বিচারব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত কাঠামো এখনো গড়ে ওঠেনি: জহির উদ্দিন স্বপন

গোসলখানা থেকে মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধার, দুই শিক্ষক কারাগারে

১৩ বছরের মায়ের কোলেই থাকছে ৭ মাসের শিশু, স্থায়ী সিদ্ধান্ত পারিবারিক আদালতে

দাবি-সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশের চেষ্টায় সংঘর্ষের সূত্রপাত: জবি উপাচার্য

এনসিপির কনসার্ট ঘিরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে

দুই তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: বাকি জীবন কারাগারে থাকতে হবে ছয় যুবককে

ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা চত্বরে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ, ঢামেকে আহত ৭