স্ত্রীর করা যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের মামলা ও আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে পুলিশের করা মামলায় জামিন পেয়েছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুন। আজ রোববার ঢাকার পৃথক দুটি আদালত তাঁর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
প্রিন্স মামুনের আইনজীবী পলাশ রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তাঁর স্ত্রীর করা মামলায় এবং আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে পুলিশের করা মামলায় আদালত তাঁকে জামিন দিয়েছেন। ফলে তাঁর কারামুক্তিতে এখন আর কোনো বাধা নেই।
যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকি তাঁকে এক হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন দেন। পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত এ জামিন বহাল থাকবে।
অন্যদিকে, ফেসবুকে লাইভে এসে আত্মহত্যার চেষ্টা করার অভিযোগে ভাটারা থানায় করা মামলায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তাঁকে জামিন দেন।
এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করে স্ত্রীকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় গত ২৪ জুলাই প্রিন্স মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ২৩ জুলাই গভীর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নিজের বাসা থেকে ফেসবুক লাইভে এসে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে শাড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন প্রিন্স মামুন—এমন অভিযোগে ভাটারা থানায় পৃথক মামলা করা হয়। ওই মামলায় গত ২৫ জুলাই তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াউর রহমান তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। পরে ২৯ জুলাই তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে ওই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন আদালত।